সুনামগঞ্জে হানি ট্র্যাপ ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে যুবক-যুবতী গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জে 'হানি ট্র্যাপ' বা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে তাহিরপুর উপজেলা সমবায় অফিসের এক কর্মচারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলা সমবায় অফিসের অফিস সহায়ক অজিত চন্দ্র দাস (৩৩) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা তুলনা আক্তার নামে এক নারী, যিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জ শহরে বসবাস করছেন। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শহরের ষোলঘর ও ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় জেলা সমবায় অফিসের অফিস সহায়ক শুকুর মিয়াকে কৌশলে শহরের পূর্ব হাজীপাড়ার একটি বাসায় ডেকে নেন ওই নারী। সেখানে শুকুর মিয়ার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও ও ছবি ধারণ করা হয়। অভিযোগ উঠে যে, শুকুর মিয়ারই পরিচিত সহকর্মী অজিত চন্দ্র দাসের পরিকল্পনায় এই ফাঁদ পাতা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়।
ভুক্তভোগী শুকুর মিয়া এ ঘটনায় পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে অজিত চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁর মাধ্যমে ফাঁদ পেতে ওই নারীকেও আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: