সিলেটে মাউন্ট এডোরা ও ইবনে সিনাসহ ১৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
Led Bottom Ad

পরিবেশ আইন লঙ্ঘন

সিলেটে মাউন্ট এডোরা ও ইবনে সিনাসহ ১৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

০৫/০৫/২০২৬ ১৮:৫৪:৩২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পরিবেশ আইন অমান্য ও দূষণের দায়ে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হসপিটাল, ইবনে সিনা হসপিটাল এবং মৌলভীবাজারের দুসাই হোটেল এন্ড রিসোর্টসহ সিলেট বিভাগের ১৫টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ২২ লাখ ৩৬০ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সোমবার (৪ মে) পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে শুনানি শেষে এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন বিভাগীয় পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান ও ২ জন ব্যক্তিকে এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে পাহাড় ও টিলা কর্তন, পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকা, ছাড়পত্রের শর্ত লঙ্ঘন এবং তরল বর্জ্যের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে সিলেটের মাউন্ট এডোরা হসপিটালকে শর্তভঙ্গের দায়ে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইবনে সিনা হসপিটালকে তরল বর্জ্যের মানমাত্রা ঠিক না থাকায় ৩৪ হাজার ৫৬০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সিলেট সদর উপজেলার সানটেক এনার্জি লিমিটেডকে ১ লাখ টাকা, পিওরিয়া ফুড প্রোডাক্টসকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং কানাইঘাটের হলি হেলথ হসপিটালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। টিলা কর্তনের দায়ে রইছ মিয়াকে ৮১ হাজার ৯০০ ও সৈয়দ তাজুল ইসলামকে ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলায় ছাড়পত্র ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার দায়ে মাধবপুরের পাইওনিয়ার ডেনিম লিমিটেড (ইউনিট-২) এবং বাহুবলের আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেড—উভয়কেই ৫ লাখ টাকা করে সর্বোচ্চ জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া কোয়ালিটি ইন্টিগ্রেটেড এগ্রো লিমিটেডকে ২ লাখ টাকা, রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজকে ১ লাখ টাকা এবং বঙ্গ বিল্ডিং ম্যাটারিয়ালসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মৌলভীবাজার জেলায় তরল বর্জ্যের প্যারামিটার মানসম্মত না হওয়ায় শ্রীমঙ্গলের রশনি পলি ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজকে ৯০ হাজার টাকা এবং দুসাই হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডকে ৯ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া বদরুন্নেছা প্রাইভেট হাসপাতালকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, জরিমানার এই টাকা আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশ রক্ষায় এই ধরণের কঠোর অবস্থান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad