সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় মিলছে না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ তবুও অস্বাভাবিক বিল
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে গ্রাহকরা বিপাকে পড়েছেন। গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুতের ব্যবহার সমান থাকলেও গেল দুই মাস ধরে বিল আসছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ। অপরদিকে একই সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনা। জানা গেছে, গেল জুন-জুলাই মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল না। যান্ত্রিক ত্রুটিসহ লোডশেডিংয়ে ব্যাহত ছিল সেবা। এরই মধ্যে বিল এসেছে আগের তুলনায় কয়েক গুণ। কারও নিয়মিত ৭০০ টাকা বিলের পরিবর্তে এসেছে ১ হাজার ৫৫০ টাকা। কারও ২ হাজার ৫০০ টাকার স্থলে ৮ হাজার ২৬০ টাকা, কারও আবার নিয়মিত বিলের অধিক ৮-৯ হাজার টাকা। কারও কারও অব্যবহৃত মিটারের রিডিং শূন্য ইউনিট হলেও বিল এসেছে ২০০ টাকা হারে।
রামপাশা এলাকার গ্রাহক আদিল মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হলেও হঠাৎ করেই অতিরিক্ত বিল এসেছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের চাপের মুখে পড়েছেন।
বিশ্বনাথ পৌরশহরের ব্যবসায়ী জামাল মিয়া বলেন, রাত-দিনের বিভিন্ন সময় লোডশেডিং হওয়ায় বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। একদিকে ঘন ঘন লোডশেডিং, অন্যদিকে অস্বাভাবিক বিল, এ দুই সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এ বিষয়ে কথা হলে পল্লী বিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ সারওয়ার জাহান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। তাছাড়া অতিরিক্ত গরমে বেশি ব্যবহারের কারণে বিল বেশি আসছে।
রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: