ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষক বরখাস্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষক বরখাস্ত

প্রথম ডেস্ক

০১/০৯/২০২৬ ১১:০৪:৪২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত অভিযোগে তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং সংগীত বিভাগে নিয়োগ-সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে আরও এক শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সভায় ছাত্রী হলগুলোর গেট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ১১টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতার অভিযোগে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ট্রাইব্যুনালও গঠন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ না করেই শিক্ষক হওয়ার অভিযোগে সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে (সায়েম রানা) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্তে তার বিরুদ্ধে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ড. জিয়াউর রহমান ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স এবং সংগীত বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে সংগীত বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে সংগীত বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি বাধ্যতামূলক ছিল। এদিকে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রী হলগুলোর গেট বন্ধের সময়সীমা রাত ১০টা থেকে বাড়িয়ে রাত ১১টা করা হয়েছে।

এছাড়াও ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত মো. রাশেদ খাঁন-কে নতুন জিএস ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। আগের ঘোষিত বিজয়ী গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব ও ডাকসু পদ বাতিল হওয়ায় মো. রাশেদ খাঁনকে জিএস ঘোষণা করা হয়।

কারণ হিসেবে গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব তদন্তে অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং সিন্ডিকেটের শোকজ নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয় বলে জানা গেছে।

রত্না বাউরী

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad