জগন্নাথপুরে গোয়ালঘর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে গোয়ালঘর থেকে রহমান আলী (১৫) নামের এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে হত্যা বলে দাবি করেছে তার পরিবার। শুক্রবার রাতে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের বড়কাপন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত রহমান আলী ওই গ্রামের মৃত রফিজ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রহমানের বড় ভাই কয়েছ মিয়া নিজ বাড়ির গোয়ালঘরের পেছনে একটি ধর্ণার (মাড়ইল) সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানজীম হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই কিশোর মারা যায়। তার হাতে কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল।
রহমান আলীর ভাই কয়েছ মিয়া বলেন, “জায়গা-জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে শত্রু পক্ষের বিরোধ রয়েছে। তারা আমার ভাইকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি এ বিষয়ে মামলা করব।”
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঞা বলেন, “ঘটনাটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। শনিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তাহির আহমদ
মন্তব্য করুন: