নতুন বিধিমালায় এনটিআরসিএ পরীক্ষার নিয়ম বদল: গেজেট প্রকাশ
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালার নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার প্রকাশিত এই গেজেট অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ নতুন নিয়মে নিবন্ধন পরীক্ষা, শূন্যপদ নিরূপণ এবং প্রার্থীদের প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
গেজেট অনুযায়ী, নিবন্ধন পরীক্ষা হবে নির্বাচনি বা বাছাই পদ্ধতিতে। পরীক্ষার বিষয়, ব্যাপ্তি ও নম্বর নির্ধারণ করবে এনটিআরসিএ। পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০ শতাংশ। শূন্যপদের ১:২ অনুপাতে বিষয় ও পদভিত্তিক ফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফল প্রকাশের পর প্রার্থীদের ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিতে হবে, এখানেও পাস নম্বর ৪০%।
গেজেটে বলা হয়েছে— বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদের চাহিদা এবং পরবর্তী তিন বছরের শূন্যপদের সম্ভাব্য চাহিদা অনলাইনে পাঠাবে। সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে অবহিত করে প্রতিষ্ঠানসমূহ শূন্যপদের তালিকা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। অধিদপ্তর যাচাই-বাছাই শেষে শূন্যপদের তালিকা এনটিআরসিএতে প্রেরণ করবে। শূন্যপদ সংগ্রহের জন্য অধিদপ্তরসমূহ নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারবে।
পূর্ববর্তী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদ চাহিদা অনুযায়ী প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থানসহ বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে অন্তত একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে এবং এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন ও ফি জমা দিতে হবে, অন্যথায় আবেদন বাতিল হবে। আবেদন গ্রহণ, বাছাই, প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশসহ সব কার্যক্রমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা ব্যবহার করবে এনটিআরসিএ।
আবেদনকারীর বয়স বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন সরকার নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট पदের জন্য জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ না করলে কোনো প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য বিবেচিত হবেন না। নতুন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, প্রযুক্তিনির্ভরতা এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদ নিরূপণে শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: