বিএনপির ৫ কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৯ জনকে বহিষ্কার
বহিষ্কার হতে পারেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়ায় সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনের বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন পার হলেই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, যদি বিএনপির দলীয় প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের মনোনয়ন নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা হয়, সেক্ষেত্রে দলীয় সমর্থন পেতে পারেন মিজান চৌধুরী। তবে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের মনোনয়ন বৈধ থাকলে এবং মিজান চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে তাঁর বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে বিএনপির পাঁচজন কেন্দ্রীয় নেতাসহ মোট ৯ জনকে বহিষ্কার করেছে দলটি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশকে প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলো মনে করছে, এই বহিষ্কারের ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরীর বিষয়েও শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: