উদ্বোধনের পর তালা দেওয়া জগন্নাথপুর হাসপাতালের শৌচাগার
Led Bottom Ad

উদ্বোধনের পর তালা দেওয়া জগন্নাথপুর হাসপাতালের শৌচাগার

নিজস্ব প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর

২৮/০২/২০২৬ ১৯:২৭:০৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক মাত্র বাহিরের শৌচাগার উদ্বোধনের পর কিছু দিন ব্যবহার করে তালা দেওয়া হয়েছে। এই শৌচাগার ব্যবহার করতে পারছেন না রোগী নিয়ে আসা লোকজন, এমনকি ভিতরের শৌচাগারগুলোর নোংরা অবস্থা, ভাঙাচোরা দরজা ও তীব্র পানির সংকটে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অবস্থা এমন যে শৌচাগা ব্যবহার করতে অনেক ক্ষেত্রেই এক রোগীকে অন্যজনের সহায়তা নিতে হচ্ছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের এক মাত্র বাহিরের শৌচাগার উদ্বোধনের কয়েক মাস পর তালা দেওয়া রয়েছে। ভিতরে শৌচাগার অধিকাংশ ব্যবহার অনুপযোগী। অধিকাংশ শৌচাগার দরজা ভাঙা। বেশির ভাগ টয়লেটে পানির সমস্যা থাকায় ব্যবহার শেষে পরিষ্কার রাখা সম্ভব হচ্ছে না জানান অনেক রোগী। নারী রোগীদের জন্য নির্ধারিত শৌচাগার গুলো সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী। এমনকি শৌচাগার ভিআইপি কেবিনের বাথরুমের অবস্থাও বেহাল। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।


সেবা নিতে আসা সুমন মিয়া ও নুরুল হক বলেন, উদ্বোধনের পর থেকে বাহিরের শৌচাগার কয়েক চালু রাখার পর বন্ধ রয়েছে। যাহা ভিতরে আছে এই টয়লেট ব্যবহার করা মানে মানসিক কষ্ট ভোগ করা। কেউ দরজার ওপাশে না দাঁড়ালে ব্যবহার করা যায় না। পানি সব সময় পাওয়া যায় না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতারও কোনো ব্যবস্থা নেই। টয়লেটগুলোর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করা হচ্ছে না। কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মী আক্ষেপ করে বলেন, ‘রোগীর চাপ এখন অনেক বেশি। এক পাশ পরিষ্কার করতে করতেই অন্য পাশে আবার নোংরা হয়ে যায়। একা এত বড় হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।


হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বাহিরের শৌচাগার গুলো প্রয়োজন হলে খুলে দেওয়া হয়। যে এই হাসপাতালের কর্মকর্তারা মনে করেন খোলা প্রয়োজন এই সময় তারা তালা দেওয়া শৌচাগার গুলো খুলে দেন। আরও সমস্যা হল পরিচ্ছন্নতাকর্মী কম থাকা।


জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার কৃপেশ রঞ্জন রায় বলেন, বাহিরের শৌচাগার গুলো প্রয়োজন হলে খুলে দেওয়া হয়। বেশি খুলা থাকলে এ গুলো নষ্ট করে ফেলবে। যদি কোন সময় চাহিদা বৃদ্ধি পায় সব সময় খুলা রাখতে হবে আমরা মনে করি সে সময় খুলা রাখবো। ভিতরের বিষয়টা  আমরা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করি, কিন্তু জনবল-সংকটের কারণে সব জায়গা একসঙ্গে পরিষ্কার রাখা সম্ভব হয় না। তার পরও চেষ্টায় আছি এ সমস্যা গুলো সমাধান করার।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad