পুলিশের ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ নগরবাসী
হাউজিং এস্টেটে ছিনতাইয়ের ৮ দিন পরও অধরা অপরাধীরা
সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকায় দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনার আট দিন পেরিয়ে গেলেও অপরাধীদের কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দিনদুপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার গতিরোধ করে ইয়াসমিন আক্তার নামের এক নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় ছয় যুবক; সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনাটি ধরা পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো কূলকিনারা হয়নি। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি একই এলাকায় এক অন্তঃসত্ত্বা নার্স ছিনতাইয়ের শিকার হন, যে ঘটনায় ব্যর্থতার দায়ে এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহ মোবাশ্বের আলীকে প্রত্যাহার করা হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।
পুলিশ সূত্র জানায়, বর্তমান ছিনতাইকারী চক্রগুলো অত্যন্ত প্রশিক্ষিত এবং তারা মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকের গ্রাহকদের টার্গেট করে ভুয়া নম্বর প্লেটযুক্ত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে নিমিষেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। এসএমপির কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, অপরাধীরা শহরের বাইরের এবং পুলিশের তালিকায় তাদের হালনাগাদ তথ্য না থাকায় এবং মাঠপর্যায়ে সোর্স নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ায় তাদের ধরা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে; তবে দিনের পর দিন অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় নগরবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: