সেবার মান বাড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ হলো সিলেট সিটি করপোরেশন
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং নগরবাসীর দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ৪২টি ওয়ার্ডকে পাঁচটি পৃথক অঞ্চলে (রিজিয়ন) ভাগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে ২০২৬) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ থেকে ৪২ নম্বর ওয়ার্ডকে পুনর্বিন্যাস করে ৫টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আঞ্চলিক এই বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:
অঞ্চল–১: ১, ২, ৩, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড।
অঞ্চল–২: ২১, ২২, ২৩, ২৪, ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড।
অঞ্চল–৩: ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড।
অঞ্চল–৪: ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড।
অঞ্চল–৫: ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড।
প্রতিটি অঞ্চলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনিক কাজ, অবকাঠামো উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন, জন্ম–মৃত্যু নিবন্ধন, কর আদায়, লাইসেন্স প্রদান এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাসহ যাবতীয় নাগরিক সেবা সরাসরি তদারকি ও পরিচালনা করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিকেন্দ্রীকরণের ফলে নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। মন্ত্রণালয় থেকে সিসিক কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: