তাহিরপুরে ডাকাতি হওয়া ২০ টি গরু উদ্ধার
Led Bottom Ad

অভিযুক্তরা বিএনপি নেতার আত্মীয়

তাহিরপুরে ডাকাতি হওয়া ২০ টি গরু উদ্ধার

২৩/০৭/২০২৫ ২২:১১:০৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জে তিনটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় গরু ব্যবসায়ীরা ডাকাতির ২০ টি গরু উদ্ধার করেছে। বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের হাওর সীমান্ত জনপদ কলাগাঁও এলাকা থেকে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়। 


প্রাপ্ত অভিযোগ থেকে জানাযায়, মধ্যনগরের মহিষখলা বাজার থেকে মঙ্গলবার অন্য বাজারে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ২০টি গরু কিনেন  উপজেলার কলতাপাড়ার গবাদিপশু (গরু-মহিষ) ব্যবসায়ী বাহার উদ্দিন ও প্রতিবেশী দাতিয়াপাড়া গ্রামের জিল্লু মিয়া। বাজার থেকে গরু কিনে নৌপথে ওই রাতে ট্রলার যোগে গরুর চালান নিয়ে যাবার পথে ২৫ থেকে ৩০ মুখোশধারী ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে মারপিট করে ২০টি গরু ডাকাতি করে নিয়ে যায়।


খবর পেয়ে গরু ব্যবসায়ীদের স্বজনরা অভিযানে নামেন হাওরে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে বিশ্বস্থ সূত্রে তাহিরপুরের কলাগাঁও গ্রামে গরুগুলো দেখা গেছে বলে সংবাদ পান। পরে কলাগাঁও গিয়ে সংসার পাড়ের আলালের বাড়ি থেকে ১০টি, আইন উদ্দিনের বাড়ি থেকে ৬টি, কসাই সাইকুলের বাড়ি থেকে এমরানের রাখা ৪টি গরুসহ ডাকাতির ২০টি গরু এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উদ্ধার করেন গরু কারবারিরা। এরা সকলেই কলাগাঁও এলাকার ও উপজেলা বিএনপির সদ্য গঠিত আহবায়ক কমিটির সদস্য বিএনপি নেতা শামসুদ্দিনের ভাই ও ভগ্নিপতি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।  


অভিযোগ রয়েছে,ডাকাতির বিষয়টি ধামাচাপাঁ দিতে গিয়ে শামসুদ্দিন নিজে লিখিত মুছলেখা দিয়ে ব্যবসায়ীদের হাতে আজ বুধবার  গরুগুলো তোলে দেন। একই সাথে এ বিষয়ে থানায় যাতে কোন প্রকার মামলা না করা হয়-এমনটিও জানিয়ে দেন গরু ব্যবসায়ীদের।  


এ ব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার কলাগাঁও সীমান্ত গ্রামের প্রয়াত আব্দুল গফুরের ছেলে উপজেলা বিএনপির সদ্য গঠিত আহবায়ক কমিটির সদস্য পল্লী চিকিৎসক শামুসদ্দিন বলেন, বিষয়টি সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়েছে। 


তবে গরু উদ্ধারের বিষয়টি জানেন না তাহিরপুর থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি মধ্যনগর উপজেলায় ঘটনায় এ বিষয়ে তাহিরপুর থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয় নি।  


মধ্যনগর থানা পুলিশ বিষয়টি জানায়, গরু উদ্ধারের বিষয়টি শোনেছি। তবে এ ব্যাপারে থানায় কোন অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় বিস্তারিত বলা সম্ভব হচ্ছে না। 

মইনুল হাসান আবির

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad