সিলেটে নারীকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

সিলেটে নারীকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিশ্বনাথ

১৬/০৭/২০২৬ ০০:১০:১১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের বিশ্বনাথে নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্যস্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে চালক ও তার সহযোগীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বসতঘরে এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে।


ধর্ষণের শিকার নারী সিলেট এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে ওই নারী বাদী হয়ে ৪ জনের নামে বিশ্বনাথ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা রাখা হয়েছে।


মামলার পর প্রধান আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া গেদাকে (৪৪) গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আর ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।


মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত অনুমান ৮ ঘটিকার সময় ছাতক যাওয়ার জন্য দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল নামক স্থান থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ করেন। আর এই অটোরিকশাচালক মামলার ৩নং আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের হাসিব আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৩০)। অটোরিকশায় ওঠার পর তাকে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।


মামলায় বাকি দুই আসামি হচ্ছেন- আলমনগর গ্রামের মৃত আয়না মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (৩০) ও বটতলা গ্রামের ছাদ মিয়ার ছেলে আমির আলী (২৮)। প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও এজাহারনামীয় বাকি ৩ জন পলাতক রয়েছেন।


জানতে চাইলে বিশ্বনাথ থানার (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad