তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

শামছুল আলম আখঞ্জী,তাহিরপুর প্রতিনিধি

২৯/০৯/২০২৬ ১৮:২৫:০০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে জারি করা সরকারি স্মারকের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ মৌলিক এখতিয়ারে করা রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ আলমগীর শাকের দেওয়া প্রত্যয়নপত্রে জানানো হয়েছে। 

আইনজীবী মোহাম্মদ আলমগীর শাকের দেওয়া প্রত্যয়নপত্রে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের আদেশের পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের আনুষ্ঠানিক আদেশ অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। রিটে সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার পূর্ব তেঘরিয়া গ্রামের জিনান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহ রুবেল আহমেদ আবেদনকারী হিসেবে রয়েছেন। এতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দুই উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া তাহিরপুরের তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকারী নাসির মিয়াকেও বিবাদী করা হয়েছে। রিটে ২২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি স্মারক চ্যালেঞ্জ করা হয়। ওই স্মারকে নাসির মিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে বিবেচনা করে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বাংলা ১৪৩৩ সালের অবশিষ্ট সময়ের জন্য বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিট আবেদনকারীর অভিযোগ, একই বালুমহালের ইজারা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাকে বাদ দিয়ে শুধু নাসির মিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত ইজারাদার হিসেবে বিবেচনা করে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া বৈষম্যমূলক ও স্বেচ্ছাচারী। এটি সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, ২২ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া জারি করা ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না। একই সঙ্গে স্মারকটির কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। রিটের নথিতে বলা হয়েছে, আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ যথাযথভাবে সংশ্লিষ্টদের জানানো হবে।

মঙ্গলবার রিটটি হাইকোর্টে উপস্থাপন ও শুনানি করা হয়।


নীরক চাকলাদার/ প্রসি-২০২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad