মাধবপুরে দ্বিতীয় দিনেও শিক্ষকদের কর্মবিরতি
দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং শাহবাগে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় পুলিশের হামলার প্রতিবাদে সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১৪৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দিনেও কর্মবিরতি পালন করেছেন শিক্ষকরা। শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচিও অব্যাহত রেখেছেন। সারা দেশে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির অংশ হিসেবে মাধবপুরের অনেক শিক্ষক ঢাকার কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) দ্বিতীয় দিনেও সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রেখে শিক্ষকরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন।
আজ (১০ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাগম সচিবের সঙ্গে শিক্ষক নেতাদের চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ বৈঠককে শিক্ষক মহলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এখানেই দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
শিক্ষিকা তন্নি রহমান বলেন, “তরুণ শিক্ষকদের প্রাণের দাবি—দশম গ্রেড বাস্তবায়ন করুন। এতে মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতায় আগ্রহী হবেন।”
শিক্ষিকা রাখি পাল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “কর্মচারী শব্দটা থেকে আমাদের বের হতে দিন প্লিজ। শিক্ষকের সঙ্গে এই শব্দটা বেমানান।”
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাধবপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রনি জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অর্থ সচিব ও প্রাগম সচিব রুদ্ধদ্বার আলোচনা করছেন।
তরুণ আইনজীবী রুহি রায় বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষকদের সম্মান টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। তারা একটি উন্নত জাতির ফাউন্ডেশন তৈরি করেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের বর্তমান ১৩তম গ্রেড মানানসই নয়—তাদের অন্তত ৯ম বা ১০ম গ্রেড দেওয়াই উচিত।”
মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জাকিরুল ইসলাম জানান, “দ্বিতীয় দিনেও শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন বলে শুনেছি।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: