ব্লক পদ থেকে ‘ডাবল পদে’ দিদার: অবৈধ পদোন্নতির চাঞ্চল্য
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে ক্যাশিয়ার পদ থেকে স্টেনোগ্রাফার এবং পরে সচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন মো. মাহমুদুর রশীদ দিদার, যা নিয়োগ বিধি ভঙ্গ করে দেওয়া অবৈধ পদোন্নতি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ‘ডাবল পদ’ দখল করে তিনি কলেজের নানা প্রকল্পে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করেছেন বলে দাবি করেছেন অনেকে।
নিয়োগ বিধি স্পষ্ট—ক্যাশিয়ার থেকে স্টেনোগ্রাফার হওয়া যায় না, আর স্টেনোটাইপিস্ট হিসেবে ন্যূনতম পাঁচ বছরের চাকরি থাকতে হবে। কিন্তু ২০১৬ সালে সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ঘনিষ্ঠজন দিদারকে পদোন্নতি দিয়ে যোগ্য কর্মী অনুজ কান্তি দাশকে বঞ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় কলেজের শৃঙ্খলা ও ন্যায্যতার খিলান সৃষ্টি হয়েছে।
দুদকসহ বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই পদোন্নতি পরিকল্পিত এবং কলেজের প্রকল্পে দুর্নীতি লুকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে। দিদার নিজেকে বৈধ দাবি করলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদক লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।
কলেজের অভ্যন্তরীণ চাঞ্চল্য ও অভিভাবক-পরিবেশের উদ্বেগ অনুযায়ী, অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে যোগ্যরা বঞ্চিত হতে থাকতে পারে এবং দুর্নীতি আরও ভয়ঙ্কর মাত্রা নিতে পারে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: