সেনাবাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
ছাতকে অটোরিকশা দাঁড় করানো নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় রাস্তার পাশে অটোরিকশা দাঁড় করানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা গেছে, লাফার্জ–হোলসিম সিমেন্ট কোম্পানির সামনের সড়কে মেরামত কাজ চলাকালে শনিবার বিকেলে ঠেংগারগাও গ্রামের অটোরিকশাচালক উজ্জ্বল মিয়া বিপজ্জনকভাবে রাস্তার পাশে তার গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখেন। এ সময় রাস্তা মেরামতের কাজে নিয়োজিত নোয়ারাই গ্রামের ফরহাদ, সাজ্জাদ ও বাদশা মিয়ার সঙ্গে উজ্জ্বল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়।
কিছুক্ষণ পর উজ্জ্বল মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে ফরহাদ, সাজ্জাদ ও বাদশা মিয়ার ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে নোয়ারাই ও ঠেংগারগাও গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত ইমন (২৬), মরম আলী (৬২), আবুল হোসেন (২৭), ওলি আহমেদ (২৬), সায়মন (২২) ও ইউসুফ (১৮)-কে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: