বানিয়াচংয়ে আগাম আমের মুকুল: বাম্পার ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরা
Led Bottom Ad

বানিয়াচংয়ে আগাম আমের মুকুল: বাম্পার ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, বানিয়াচং

১৮/০২/২০২৬ ২২:০৫:০৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

বসন্তের আগমনে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার প্রকৃতি সেজেছে নতুন সাজে। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে গ্রামের বাগানগুলোতে এখন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত চারপাশ। শীতের প্রকোপ তুলনামূলক কম থাকায় এবার বেশ আগেভাগেই মুকুলে ছেয়ে গেছে আম গাছগুলো।

উপজেলার সদর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে আম গাছগুলো হলদে রঙ ধারণ করেছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলের পাশাপাশি গুটি আমেরও দেখা মিলছে। বাণিজ্যিক বাগানের পাশাপাশি বাড়ির ছাদেও আম চাষে ব্যাপক সফলতা দেখা যাচ্ছে।

মজলিসপুর নয়া পাড়া এলাকার বাগান মালিক মো. মজিদ মিয়া জানান, কুয়াশা কম থাকায় এবার মুকুল ভালো হয়েছে। তিনি এখন ছত্রাকনাশক প্রয়োগ ও বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত।

বাগ এলাকার ছাদবাগান চাষি মো. লালন মিয়া জানান, তাঁর ৭০টি গাছে থাই কাটিমন (বারোমাসি), হাড়িভাঙ্গাসহ বিভিন্ন জাতের আমের মুকুল এসেছে।

চাষিরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার শীত ও কুয়াশার তীব্রতা কম ছিল এবং মৌসুমের শুরুতে শিলাবৃষ্টি হয়নি। তবে আকাশে মেঘ জমলে শিলাবৃষ্টি ও আসন্ন কালবৈশাখী ঝড় নিয়ে কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে তাদের মনে।

চাষি মো. আবদুল আলী জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে মুকুল আসার আগেই কীটনাশক স্প্রে করে গাছ ধুয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে হপার বা শোষক জাতীয় পোকা আক্রমণ করতে না পারে। বানিয়াচংয়ে এখন ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, মল্লিকা ও হাড়িভাঙ্গা জাতের বনেদি আমের বাগান দিন দিন বাড়ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. এনামুল হক জানান, ফেব্রুয়ারিতেই আম গাছ মুকুলে ভরপুর হয়ে উঠেছে এবং আকাশে উজ্জ্বল রোদ থাকায় মুকুলগুলো সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হচ্ছে। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার বানিয়াচংয়ে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad