বিএনপির চ্যালেঞ্জ জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাই
সিলেটে বইছে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের হাওয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটে শুরু হয়েছে সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের তোড়জোড়। নির্বাচন কমিশন রোজার পরপরই ভোট গ্রহণের ঘোষণা দেওয়ায় নড়েচড়ে বসেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ১৯টি আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জয়লাভ করা বিএনপি এই ধারা বজায় রাখতে মরিয়া। তবে সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে জামায়াতের ভোটের বিশাল উত্থান কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিএনপি নেতাদের।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী যেখানে মাত্র ১১ হাজার ভোট পেয়েছিলেন, সেখানে এবারের সংসদ নির্বাচনে তাদের প্রার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। ফলে আসন্ন সিটি নির্বাচনে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাইকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির অভ্যন্তরে মেয়র পদের জন্য ইতোমধ্যেই এক দীর্ঘ তালিকা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জোর আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, যিনি দল চাইলে নির্বাচন করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন। এছাড়া আছেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও অভিজ্ঞ কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, প্রবীণ নেতা বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী। নতুন করে আলোচনায় যুক্ত হয়েছে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর ছোট ভাই আছকির আলীর নাম। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ফেসবুক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি কৌশলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে শুরু করেছেন। বিএনপির অনেক নেতার মতে, জামায়াতের ক্রমবর্ধমান শক্তির মোকাবিলায় প্রার্থী নির্বাচনে সামান্য ভুল করলেই হাতছাড়া হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ এই নগরপিতা পদটি।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: