হবিগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর হোটেল ভাঙচুর

বিএনপি নেতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর হোটেল ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

১৭/০৩/২০২৬ ২১:৩১:১০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীর হোটেলে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতাসহ তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।


ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ গত ১৬ মার্চ হবিগঞ্জ দ্রুত বিচার আদালতে মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আবুলকে প্রধান আসামি করে চারজনের নামে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন। এতে আরও ১০–১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।


মামলার অভিযোগে বলা হয়, মাসুম বিল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সামনে টিনশেড ঘরে ‘মাসুম বিল্লাহ হোটেল’ নামে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এ সময় শফিকুল ইসলাম আবুল ও তাঁর সহযোগীরা তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


অভিযোগে আরও বলা হয়, নির্ধারিত এক দিনে অভিযুক্তরা মাসুম বিল্লাহর পথরোধ করেন। এ সময় শফিকুল ইসলাম আবুল তাঁর হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে বলেন, ব্যবসা চালিয়ে যেতে হলে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে, না হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হবে।


পরবর্তীতে অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেলে হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলার সময় হোটেলের টিনশেড ঘর, পাকা রান্নাঘরের চালা, দরজা-জানালা ও রান্নার চুলাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ছাড়া হোটেলের সামনে থাকা পানির ট্যাংক ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।


ঘটনার সময় হামলাকারীদের তাণ্ডবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান স্থানীয়রা।


ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেখানে বৈধভাবে ব্যবসা করে আসছেন। কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শফিকুল ইসলাম আবুল। তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। সহ–ব্যবস্থাপনা কমিটির কোনো সদস্য এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad