হবিগঞ্জে সারজিস-নাসিরসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

হবিগঞ্জে সারজিস-নাসিরসহ ১০ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

৩১/০৭/২০২৬ ১৪:০২:০৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলার এজাহার দাখিল করেন।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল হক বলেন, তারা (ছাত্রদল নেতারা) একটি অভিযোগ দিয়ে গেছেন। এটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান জানান, থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে নেতাকর্মীরা কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থান নেন।

অভিযোগে বলা হয়, এ সময় নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, জেলা আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিনসহ ৪০ থেকে ৫০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালান। হামলায় জেলা ছাত্রদল নেতা মাহফুজ চৌধুরী, মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের লোহার রড, রামদা, ফিকল ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরো বলা হয়, হামলার সময় বাদীর মোবাইল ফোন ছাড়াও মোজাক্কির হোসেন, মাহফুজ চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান গাজীর মোবাইল ফোন, রক্সি ইসলামের কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা এবং শিমুল হাসানের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা সরে যান। আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় শক্তির আহ্বায়ক নুর আলম চৌধুরী, জেলা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন আহমেদ জাকি, আব্দুল হাই কামাল, রুহাম গাজী, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাহিদ উদ্দিন তারেক, জেলা সদস্য ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরীসহ আরো কয়েকজন।

এদিকে একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগেই এনসিপির পক্ষ থেকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো প্রায় ১০০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে।

এনসিপির অভিযোগ, গত ২৮ জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে ছাত্রদলের হামলায় সারজিস আলমসহ অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন। ওই হামলায় দলের এক কর্মী একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বলেও দাবি করেছে দলটি।

ফয়সল চৌধুরী / ডিডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad