সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় গিয়ে নাগরিক দুর্ভোগ দেখলেন সিসিক প্রশাসক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরের সুবিধাবঞ্চিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের মইয়ারচর ও তালুকদারপাড়া এবং দক্ষিণ সুরমার চান্দাই, গালিমপুর ও মোমিনখলা এলাকায় সরেজমিনে যান।
পরিদর্শনকালে সড়ক ও ড্রেনেজ সংকটের কারণে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করেন প্রশাসক।
দুপুরে মইয়ারচর ও তালুকদারপাড়া এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি মাদ্রাসা-এ-তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
বক্তব্যে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত অনেক এলাকা এখনও উন্নয়নবঞ্চিত। তবে ইতিমধ্যে কিছু ওয়ার্ডে সড়ক, ড্রেন নির্মাণ এবং সড়কবাতি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি ড্রেনেজ সমস্যা সমাধান, সড়ক নির্মাণ এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রশাসক বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর যথাসময়ে পরিশোধ করলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব।
সিলেটের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকার পর সিলেটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শহীদ আহমদ, সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ হোসেন সুমন। উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
পরে প্রশাসক দক্ষিণ সুরমার চান্দাই ও গালিমপুর এলাকা এবং শাহ চান্দে আলী শাহ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোমিনখলা এলাকায় যান, যেখানে সড়ক ও ড্রেনের অভাবে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগের চিত্র উঠে আসে।
এ সময় তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণ না হলে স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় ভূমি দিতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: