সিসিকে বরাদ্দ নিয়ে আরিফের মিথ্যাচার:ফেসবুকে আজাদের কড়া জবাব
Led Bottom Ad

সিসিকে বরাদ্দ নিয়ে আরিফের মিথ্যাচার:ফেসবুকে আজাদের কড়া জবাব

প্রথম ডেস্ক

০৩/০৫/২০২৬ ১৭:৫৬:১৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সাবেক সিসিক মেয়র ও বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সম্প্রতি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিসিকের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তাঁর এমন বক্তব্যকে ‘নির্লজ্জ মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা আজাদুর রহমান আজাদ।


গত ২ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদুর রহমান আজাদ বলেন, রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে সব সময় শতভাগ সত্য বলা না গেলেও অন্তত ৮০ ভাগ সত্য বলা উচিত। তিনি দাবি করেন, কাউন্সিলর হিসেবে ১০ বছর দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজে দেখেছেন—সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নগরীর উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে তৎকালীন সরকারের কাছে গিয়েছিলেন এবং সেগুলো অনুমোদনও হয়েছিল।


পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেন নির্মাণ, রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনসহ হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন-এর সহযোগিতায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেক সভায় অনুমোদন দেন।


আজাদ আরও বলেন, এসব প্রকল্প অনুমোদনের পর আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বেই আনন্দ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছিল। তাই এখন এসে বরাদ্দ না পাওয়ার দাবি করা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।


ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পরও প্রায় পাঁচ মাস দায়িত্বে থেকে আরিফুল হক চৌধুরী যে পরিমাণ কাজের টেন্ডার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকারের মন্ত্রী হিসেবে নিজের নির্বাচনী এলাকা জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে আগামী এক বছরের মধ্যে সেই সমপরিমাণ উন্নয়ন কাজ করতে পারবেন কি না।


আজাদের এই পোস্ট ঘিরে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে। স্থানীয়ভাবে অনেকে মনে করছেন, সিসিকের উন্নয়ন নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আগামী দিনে আরও বড় রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ নিতে পারে।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad