ভারতের হাইকমিশনের বার্তায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা
বাংলাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ বার্তা প্রকাশ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বার্তায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করা হয় এবং বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের সম্পর্কের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।
বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তমকে স্মরণ করছে, তখন ভারতও ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তাঁর কণ্ঠে প্রচারিত সেই বিখ্যাত বেতার ভাষণের কথা স্মরণ করছে। হাইকমিশনের মতে, ওই ভাষণ তৎকালীন বাঙালি জনগণকে সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিল, নিপীড়ন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেছিল এবং জাতীয় মুক্তির সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
ভারতীয় হাইকমিশন আরও উল্লেখ করে, মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের জনগণের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের সঙ্গে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত ছিল। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের ধারাবাহিকতায় আজও ভারত বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বার্তায় বলা হয়, ১৯৭১ সালে যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে দুই দেশের জনগণের মধ্যে এক ধরনের অভিন্ন লক্ষ্য ও আত্মত্যাগের বন্ধন গড়ে উঠেছিল, তেমনি বর্তমান সময়েও উভয় দেশ উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় একসঙ্গে এগিয়ে চলেছে। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই সহযোগিতার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারতের হাইকমিশনের এই বার্তা শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তিকেও নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এই বার্তাটি ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং অনেকেই এটিকে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধকালীন অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
তাহির আহমদ
মন্তব্য করুন: