৬ আগস্ট থেকে টিকিট কেটে দেখা যাবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে ৬ আগস্ট থেকে চালু হচ্ছে টিকিট ও অনলাইন বুকিং ব্যবস্থা। দর্শনার্থীদের সুবিধা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের জন্য একটি বিশেষ সময় বরাদ্দ রাখা হবে, যাতে তারা জাদুঘরটি ঘুরে দেখে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন। এছাড়া উদ্বোধনের প্রথম দিনটি শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী প্রবেশ করলে জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পক্ষে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্টসংখ্যক দর্শনার্থীর জন্য সময়ভিত্তিক স্লট বরাদ্দ থাকবে। অনলাইনে আবেদন করে যে স্লট পাওয়া যাবে, সে সময়েই দর্শনার্থীদের জাদুঘরে প্রবেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, কেউ যদি ৬ আগস্টের জন্য বুকিং করতে চান, কিন্তু ওই দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে তাকে পরবর্তী কোনো দিনের স্লট নিতে হবে। আবেদনকারী আগেই জানতে পারবেন, তিনি কোন সময়ের জন্য অনুমোদন পেয়েছেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ৬ আগস্ট থেকেই টিকিটের বিনিময়ে জাদুঘরে প্রবেশ করা যাবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘জুলাই’কে কেন্দ্র করে নতুন দেশাত্মবোধক গান সৃষ্টির লক্ষ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি গানের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ১০০টির বেশি নতুন গান জমা পড়ে।
যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানসহ মোট ২০টি গানকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আগামী ৫ আগস্ট শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত কনসার্টে বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হবে। একই অনুষ্ঠানে প্রথম তিনটি বিজয়ী গান মঞ্চে পরিবেশন করা হবে। এরপর থাকবে অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: