সিলেটে ভারত পাচারকালে গ্রেপ্তার ৮ রোহিঙ্গাসহ ৪ পাচারকারীকে আদালতে প্রেরণ

সিলেটে ভারত পাচারকালে গ্রেপ্তার ৮ রোহিঙ্গাসহ ৪ পাচারকারীকে আদালতে প্রেরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি,কানাইঘাট

১৮/০৮/২০২৬ ১৫:৪৯:০৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা ৮ রোহিঙ্গা এবং চার মানব পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে পাচারে ব্যবহৃত দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের উখিয়া থানার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৮ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে সিলেট নগরীর কদমতলী এলাকা থেকে দুটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে কানাইঘাটের দনা সীমান্তের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পাচারকারী চক্রটি। তাদের পরিকল্পনা ছিল দনা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে এই রোহিঙ্গাদের ভারতে পাচার করা।

এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কুওরেরমাটি মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তারা অটোরিকশাসহ আরোহীদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৮ রোহিঙ্গাসহ মোট ১২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

গ্রেপ্তার হওয়া চার মানব পাচারকারী (দালাল) হলেন,কানাইঘাটের লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল বাঙ্গীছড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আছাদ আহমদ, কানাইঘাটের বড়খেরড় গ্রামের বাতা মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাইকাপন গ্রামের মৃত হেদায়েতুল ইসলামের ছেলে, রফিক আহমদ (সিএনজি চালক), নেত্রকোনা সদর উপজেলার মইন নুরুলীয়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এলাছ উদ্দিন (সিএনজি চালক)। 

অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া ৮ রোহিঙ্গা সদস্য হলেন— এনায়েত হোসেন (১৮), আব্দুল মুবিন (২৪), জুবের আহমদ (১৮), আজিদা বেগম (১৮), জামিলা বেগম (২০), ফাতেমা বিবি (১৮), নুর ফাতেমা (১৮) ও আজিদা (১৮)। পুলিশ জানায়, তারা সবাই মিয়ানমারের নাগরিক এবং কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে বসবাস করতেন।

কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় জড়িত মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটক চার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার করা রোহিঙ্গাদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে পুনরায় উখিয়ার সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাচারে ব্যবহৃত দুটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।”

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad