ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামিসহ ৭ জন গ্রেপ্তার
ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, চোরাচালান মামলার আসামি ও মোবাইল কোর্ট মামলার আসামিসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ছাতক থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনকে বিধি অনুযায়ী আদালতে এবং মোবাইল কোর্ট মামলার আসামিদের জেলা কারাগার, সুনামগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছাতক থানার মামলা নং-২৪(৮)২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০এর ৯(১) ধারার মামলায় বাবনগাঁও গ্রামের মৃত হবিবুর রহমানের ছেলে মরম আলী (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
সম্প্রতি ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
এ ছাড়া নন-জিআর-১৫/১৬ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গাবুরগাঁও গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মুরসালিন (১৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
চোরাচালান সংক্রান্ত ছাতক থানার মামলা নং-২৫(৮)২০২৬, দ্য স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ২৫-বি(১)(বি)(২)/২৫-ডি ধারায় লক্ষীবাউর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে মো. মজিদ (৩৫) ও আলা উদ্দিনের ছেলে মো. জুবায়ের (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৮ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এসআই আব্দুল জলিল সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মাধবপুর এলাকার মেসার্স এ.কে. ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনের সামনে ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা আটক করে। এ সময় সিএনজির ভেতর থেকে ১৭০ প্যাকেট ভারতীয় ফুচকা, যার ওজন ১৭০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ৩৯ হাজার ১০০ টাকা, উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সবুজ রঙের সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে মোবাইল কোর্ট মামলা নং-৭৬/২০২৬-এর আসামি পূর্ব নোয়ারাই এলাকার জনি আহমেদ (২৬), মো. মহিউদ্দিন (৩৭) ও জিয়াউল হক (৩৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি অনুযায়ী সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মিজানুর রহমান বলেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সুজন তালুকদার / রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: