তাহেরির বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন, চুনারুঘাটে নির্বাচনী প্রচারণায় বিতর্ক।
Led Bottom Ad

তাহেরির বক্তব্য ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন, চুনারুঘাটে নির্বাচনী প্রচারণায় বিতর্ক।

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুনারুঘাট

০৮/০১/২০২৬ ০০:০০:৪৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের সুন্নি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরিকে ঘিরে এলাকায় বিতর্ক ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারীদের বিষয়ে তার পূর্বের বক্তব্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনী আচরণের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি এক মাহফিলে তিনি ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারীদের সঙ্গে আত্মীয়তা, তাদের পেছনে নামাজ আদায়, জানাজায় অংশগ্রহণ, কন্যা বিবাহ দেওয়া, সালাম দেওয়া এমনকি কবর জিয়ারতও করা যাবে না—এমন বক্তব্য দেন। তবে ওই মতাদর্শের অনুসারীদের কাছেই ভোট চাইতে যাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের সুন্দরপুর বাজারে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এক দোকানদারের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় মুফতি তাহেরি সালাম দিয়ে হাত মেলান। এ সময় ওই দোকানদার নিজেকে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারী দাবি করে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন—ওয়াহাবীদের সঙ্গে সম্পর্ক নিষিদ্ধ বলার পর তিনি কেন তাদের কাছেই হাত মিলিয়ে ভোট চাইছেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কিছু সময় যুক্তিতর্ক হয়।

একপর্যায়ে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, রাজনীতির সঙ্গে আকিদার কোনো সম্পর্ক নেই। যাদের আকিদাগত সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষয়ে তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন। তবে রাজনীতি ও আকিদা আলাদা বিষয় এবং রাজনীতি হবে ইনসাফের ভিত্তিতে। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পরে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা দলমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব। জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাউকে আলাদা করার সুযোগ নেই। নির্বাচিত হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে চলবেন বলেও তিনি জানান।

ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কেউ একে রাজনৈতিক বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বক্তব্য ও আচরণের মধ্যে অসঙ্গতির বিষয়টি সামনে আনছেন।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad