নবীগঞ্জে সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসায় ভাসছেন মোশাহিদ চৌধুরী
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুর এলাকায় সামাজিক উন্নয়নমূলক নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোশাহিদ চৌধুরী। তিনি দিনারপুর ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি। ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষা, যোগাযোগ, পরিবেশ ও ক্রীড়া খাতে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়ে এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।
প্রবাসে অবস্থান করলেও নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মোশাহিদ চৌধুরী। এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন সেবামূলক সংগঠন ‘দিনারপুর ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশন’। এই সংগঠনের মাধ্যমে দিনারপুরের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারে নিয়মিত সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সংগঠনটির উদ্যোগে প্রতিবছর দিনারপুর এলাকাব্যাপী মক্তবভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় বাজার ও জনবহুল এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো এবং ময়লা ফেলার জন্য ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে মোশাহিদ চৌধুরীর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে দেবপাড়া (বালিদ্বারা)–মুন্সিবাজার সড়কসহ কায়স্থগ্রাম ও সংকরসেনা গ্রামে মোট পাঁচটি কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এতে এলাকার মানুষের চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।
শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নেও তাঁর সহযোগিতা রয়েছে। বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি একাধিক মসজিদে অজুখানা স্থাপন, গালিচা প্রদানসহ নানাভাবে সহায়তা করে যাচ্ছেন তিনি।
এ ছাড়া সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে টিউবওয়েল বিতরণ, দরিদ্র ও অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করছেন মোশাহিদ চৌধুরী। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে এবং সুস্থ বিনোদনে উৎসাহিত করতে তাঁর সহযোগিতায় নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনও করা হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, দিনারপুর ডেভলাপমেন্ট এসোসিয়েশনের এসব উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। তারা এই মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
মোশাহিদ চৌধুরী বলেন, ‘নিজের জায়গা থেকে এলাকার মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। এসব কাজে এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া একান্ত প্রয়োজন।’
স্থানীয়দের মতে, মোশাহিদ চৌধুরীর এই উদ্যোগ দিনারপুর এলাকায় সামাজিক উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
মো. তাজুল ইসলাম
মন্তব্য করুন: