সিলেটে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা
Led Bottom Ad

সিলেটে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট প্রত্যাহার, তবে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১০/০৩/২০২৬ ১৭:২১:১২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেটে পেট্রোল পাম্প কর্মীদের ওপর হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদে ডাকা প্রতীকী ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় শাখা এই ঘোষণা দেয়। তবে হামলাকারীদের বিচার ও নিরাপত্তার আশ্বাস মিললেও বিপনন নীতি নিয়ে ক্ষোভ কাটেনি ব্যবসায়ীদের।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ায় তারা ধর্মঘট তুলে নিচ্ছেন। তবে বিপিসি (BPC) আরোপিত 'দৈনিক কোটা পদ্ধতি' এবং ত্রুটিপূর্ণ বিপনন নীতি পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থানীয় ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধর্মঘট চলায় সিলেটের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ ছিল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন চালকরা। অনেক পাম্পে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা দিলেও সরবরাহ না থাকায় চালকদের ফিরে যেতে হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের প্রধান ৫টি দাবি ছিল:

১. কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা।

২. হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

৩. অযৌক্তিক দৈনিক কোটা পদ্ধতি প্রত্যাহার।

৪. স্বাভাবিক ও কার্যকর জ্বালানি বিপনন ব্যবস্থা পুনর্বহাল।

৫. সিলেট অঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, পাম্প খোলা থাকলেও ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ থাকায় মজুত শেষ হয়ে গেলে পুনরায় সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিপনন নীতি সংশোধন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad