সিলেটের আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত

সিলেটের আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

০৯/০৭/২০২৬ ১৪:৫১:৩৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি (রাষ্ট্রদূত) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় তাকে এই নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


আইরিন খান সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সিলাম ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের সন্তান। তিনি ডা. সিকান্দার আলী খানের মেয়ে এবং সাবেক এয়ার ভাইস মার্শাল মাহবুব আলী খানের ভাতিজি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান তার চাচাতো বোন।


জাতিসংঘে নিয়োগ পাওয়ার আগে ২০২০ সালের ১ আগস্ট থেকে আইরিন খান জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের মুক্ত চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোটিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বজুড়ে পরিচিত আইরিন খান ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’-এর মহাসচিব ছিলেন। এই পদে তিনিই ছিলেন প্রথম এশীয় নারী। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশন’ (আইডিএলও)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


এর আগে আইরিন খান জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনে (ইউএনএইচসিআর) দীর্ঘ ২১ বছর সদরদপ্তর ও মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন। তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভার ‘গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’-এর ভিজিটিং প্রফেসর এবং ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের ‘সালফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র চ্যান্সেলর ছিলেন। এছাড়া ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য তিনি।


আইরিন খান যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি এবং আমেরিকার হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেন। বিশ্বজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা রোধ এবং মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য ২০০৬ সালে তিনি বিখ্যাত 'সিডনি শান্তি পুরস্কার'সহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন এই কীর্তিমান নারী।

আর আর

মন্তব্য করুন: