গোল ছাড়া অ্যাসিস্টও সমান হলে কে পাবেন গোল্ডেন বুট?
বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াই এখন পৌঁছেছে চূড়ান্ত উত্তেজনার পর্যায়ে। টুর্নামেন্টে বাকি রয়েছে শুধু ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। তাই আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততে এখনও একাধিক তারকা ফুটবলার টিকে আছেন। তবে শেষ পর্যন্ত একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে বিজয়ী নির্ধারণে ফিফার নির্ধারিত টাইব্রেকার নিয়ম অনুসরণ করা হবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে রোনালদো নাজারিও, মিরোস্লাভ ক্লোসা, হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারা এই পুরস্কার জিতেছেন। এবারও কেইন ও এমবাপ্পের সামনে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ৮টি করে গোল করে যৌথভাবে গোল্ডেন বুটের তালিকার শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে।
লিওনেল মেসি (৮ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট)
৮ গোলের পাশাপাশি ৪টি অ্যাসিস্ট করে মেসি বর্তমানে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। শুধু গোল করাই নয়, সতীর্থদের গোল করতে সহায়তা করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সমান গোল হলে অ্যাসিস্টের নিয়মে এই পরিসংখ্যান তাকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।
মেসির সমান ৮ গোল করেও অ্যাসিস্টের সংখ্যায় পিছিয়ে রয়েছেন ফরাসি তারকা এমবাপে। তার অ্যাসিস্ট ৩টি, যা মেসির চেয়ে একটি কম। ফলে বর্তমানে গোল্ডেন বুটের তালিকায় তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তবে পরবর্তী ম্যাচে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে) বড় পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ব্যবধান ঘোচানোর সুযোগ রয়েছে তার সামনে।
ইংল্যান্ডের এই দুই ফুটবলারও গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে রয়েছেন। দুজনেরই গোলসংখ্যা ৬ এবং অ্যাসিস্ট ১টি করে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করে তারা তালিকায় আরও ওপরে ওঠার সুযোগ পেতে পারেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শেষে একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে দেখা হবে কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন। যে খেলোয়াড়ের অ্যাসিস্ট বেশি থাকবে, তিনিই এগিয়ে থাকবেন।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই খেলোয়াড়দের পরিসংখ্যান সমান হয়, তাহলে পরবর্তী বিবেচনায় আসবে মাঠে কাটানো মোট সময়। একই সংখ্যক গোল করতে যে খেলোয়াড় কম মিনিট খেলেছেন, তাকেই এগিয়ে রাখা হবে। অর্থাৎ কম সময়ে বেশি কার্যকর পারফরম্যান্স করা খেলোয়াড় পাবেন গোল্ডেন বুট।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: