জুমার দিনে দরুদ পাঠের ফজিলত

জুমার দিনে দরুদ পাঠের ফজিলত

প্রথম ডেস্ক

০৭/০৮/২০২৬ ০৮:২০:৫২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

শুক্রবার মুসলিম জাতির বিশেষ একটি দিন। এ দিনকে হাদিসে মুমিনের সপ্তাহিক ঈদের দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দিনটি আল্লাহর কাছেও বিশেষ প্রিয় এবং আমল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৮৪)

শুক্রবারের বিশেষ আমলগুলোর অন্যতম হলো—দরুদ পাঠ। রাসুল সা. বলেছেন, তোমরা জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পড়ো কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়। (সুনানে আবু দাউদ: ১০৪৭)

শুক্রবার আসরের নামাজের পর বিশেষ এক দরুদের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। হাদিসের ভাষ্যানুযায়ী—সে দরুদ পাঠে ৮০ বছরের গোনাহ মাফ হয় এবং আমলনামায় ৮০ বছরের নেকি লেখা হয়। তবে শর্ত হলো, জুমার দিন আসরের নামাজের পর, নামাজের স্থানে বসেই ৮০ বার পড়তে হবে এ দরুদ। (আফজালুস সালাওয়াত : ২৬, আত-তারগীব ফি ফাযায়িলিল আ’মাল- ১৪ পৃষ্ঠা)

দরুদটি হলো—اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدِنِ النَّبِيِّ الأُمِّىِّ وَعَلٰى اٰلِهٖ وَسَلِّمْ تَسْلِيْمًا

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিনিন্নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আ’লা আ-লিহী ওয়া সাল্লিম তাসলিমা।

এছাড়াও যেকোনো দরুদ পড়া যেতে পারে এ দিন। দরুদ পাঠের অসংখ্য ফজিলতের কথা বর্ণিত আছে হাদিসে। রাসুল সা. বলেছেন, যে আমার উপর একবার দরূদ পড়বে, বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তার উপর দশটি রহমত নাযিল করবেন। (সহিহ মুসলিম: ১৬৬)

অন্য এক হাদিসে রাসুল সা. বলেন, আমার উপর দরুদ পাঠকারী যতক্ষণ দরুদ পড়ে ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। সুতরাং বান্দার ইচ্ছা, সে দরুদ বেশি পড়বে না কম। (মুসনাদে আহমদ: ৪৪৫)

আরেক হাদিসে দরুদ পাঠকারীকে সুসংবাদ দিয়ে বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন ওই ব্যক্তি আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে, যে আমার উপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পড়েছে। (জামে তিরমিজি: ১১০)

আর যে দরুদ পড়ে না, তার জন্য হাদিসে এসেছে সতর্কবার্তা। হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব রা. বলেন, যে পর্যন্ত তুমি তোমার নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপর দরুদ না পড়বে ততক্ষণ দুআ আসমানে যাবে না, আসমান-জমিনের মাঝে থেমে থাকবে। (জামে তিরমিজি: ১১০)

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad