শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃশ্যে যেভাবে নিহত হলেন মৎস্যচাষী সুরজিত
Led Bottom Ad

শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃশ্যে যেভাবে নিহত হলেন মৎস্যচাষী সুরজিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল

২৫/০৬/২০২৫ ১০:৪৭:০৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইকোনমিক ফিশারিজ ও ইকোনমিক ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী, জেলা পর্যায়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত মৎস্যচাষী সুরজিত দাস (৫৮)।


মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার জেটি রোডে অবস্থিত ইকোনমিক ফিশারিজে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


ইকোনমিক ফিশারিজের ম্যানেজার ধনঞ্জয় রায় জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে মাস্টারপাড়া এলাকায় নিজের বাসা থেকে হেঁটে খামারে আসেন সুরজিত দাস। দুপুরের দিকে তাকে খুঁজে না পেয়ে খোঁজ শুরু করলে পুকুরপাড়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে ধরতেই ধনঞ্জয়ের হাতেও বিদ্যুতের শক লাগে। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়। শরীরের একটি অংশে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার দগদগে চিহ্ন ছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শারমিন জানান, সুরজিত দাসকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।


সুরজিত দাস দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে মাছ চাষ করে আসছিলেন এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও মৌলভীবাজার জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী’ হিসেবে একাধিকবার সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ইকোনমিক ফার্মেসির অংশীদারও ছিলেন। তার অন্যান্য অংশীদারদের মধ্যে রয়েছেন জমজ ভাই রাখাল দাস এবং ছোট ভাই চম্পক দাস।


ব্যক্তিগত জীবনে সুরজিত দাস এক স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে শ্রীমঙ্গলের ঔষধ ব্যবসায়ী সমাজ, ফিশারিজ মালিক সমিতি, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


সুরজিত দাসের শেষকৃত্য মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানে সম্পন্ন হয়।

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad