প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত
মাধবপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আসবাব ও বই বিক্রির অভিযোগ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয়ের পুরাতন আসবাবপত্র ও বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটিকে স্পষ্টভাবে ‘চুরি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিস বা বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির অনুমোদন ছাড়াই গত সোমবার বিকেলে বিদ্যালয়ের ৪০টি লোহার বেঞ্চ, ৪০টি কাঠের বেঞ্চ, ৪টি লোহার দরজা, ৪টি কাঠের দরজা এবং প্রায় ১৭৪ কেজি পুরাতন বই স্থানীয় একটি ভাঙারি দোকানে বিক্রি করা হয়।
স্থানীয় ভাঙারি ব্যবসায়ী মুসলিম মিয়া জানান, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের দপ্তরি রিপনের মাধ্যমে তাকে স্কুলে ডেকে নেন। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে গড়ে প্রতি কেজি ৩৭ টাকা দরে মালামাল কেনা হয়। এ ছাড়া তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আর কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদ্যালয়ে এসে কথা বলতে বলেন।
মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম জাকিরুল হাসান বলেন, “সরকারি মালামাল এভাবে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অকেজো মালামাল বিক্রির জন্য ইউএনও’র নেতৃত্বে উপজেলা পর্যায়ে নির্দিষ্ট কমিটি রয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিক্রির বিধান আছে। এর ব্যত্যয় হলে তা চুরি হিসেবেই গণ্য হবে। অভিযোগের সত্যতা পেলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: