সিলেটে পৃথক অভিযানে দুটি রাইফেলসহ ১০ এয়ারগান উদ্ধার
সিলেটের পৃথক দুটি অভিযানে সেনাবাহিনী–র্যাব ও থানা পুলিশ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানে দুটি পয়েন্ট–২২ রাইফেল, ১০টি এয়ারগান ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করা যায়নি।
সেনাবাহিনী ও র্যাব-৯ এর যৌথ অভিযানে সোমবার (১৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬ নম্বর চিকনাগুল ইউনিয়নের পানিছড়া গ্রাম থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পয়েন্ট–২২ রাইফেল উদ্ধার করা হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হরিপুর গ্যাস ফিল্ড আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার (২৭ বীর)-এর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী হাজি মো. আতিকুর রহমানের বাড়ির সামনের একটি চা–বাগানে অভিযান চালায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সেনাক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা অস্ত্র দুটি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় র্যাব-৯ এর মাধ্যমে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস দমনে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোর সোয়া ৪টার দিকে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১০টি নতুন এয়ারগান ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লার দিকনির্দেশনায় এসআই (নিরস্ত্র) ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সিলেট–তামাবিল মহাসড়কের করিচার ব্রিজের উত্তর পাশে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশি চালায়।
তল্লাশির সময় একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি পুলিশকে দেখে মোটরসাইকেল ও একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বস্তাটি তল্লাশি করে চারটি ক্যামো রঙের ও ছয়টি কালো রঙের ভারতীয় এয়ারগান উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একটি পুরোনো সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
ডি আর ডি
মন্তব্য করুন: