সুনামগঞ্জে জেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য পদ ছাড়লেন ওবায়দুল হক মিলন
Led Bottom Ad

সুনামগঞ্জে জেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য পদ ছাড়লেন ওবায়দুল হক মিলন

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২০/০১/২০২৬ ১৭:৩২:১৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

​সুনামগঞ্জের হাওর রক্ষা ও নদী রক্ষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলন ‘কাবিটা’ (কাজের বিনিময়ে টাকা) স্কীম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন। সংগঠনের গঠনতান্ত্রিক আদর্শ ও নৈতিকতা বজায় রাখতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।


​আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও জেলা মনিটরিং কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বরাবর লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি এই অব্যাহতির আবেদন জানান।


​আবেদনপত্রে ওবায়দুল হক মিলন উল্লেখ করেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সংশোধিত 'কাবিটা নীতিমালা ২০২৩' এর আওতায় বাস্তবায়িতব্য কাজ তদারকির জন্য তাকে জেলা মনিটরিং কমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়েছিল। তবে ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংগঠনের কোনো স্তরের নেতা বা কর্মী সরকারি কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন বা মনিটরিং কমিটির সুবিধাভোগী সদস্য হতে পারবেন না।


​তিনি আরও জানান, ইতিপূর্বে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও তালিকায় তার নাম থেকে যায়। ফলে সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতি সমুন্নত রাখতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সদস্য পদ প্রত্যাহার ও অব্যাহতি গ্রহণের আবেদন করেন।


​এ বিষয়ে মোঃ ওবায়দুল হক মিলন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমাদের সংগঠনটি হাওর ও কৃষকের অধিকার রক্ষায় একটি অরাজনৈতিক ও সেবামূলক প্ল্যাটফর্ম। গঠনতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী আমরা সরকারি কোনো প্রকল্প কমিটির অংশ হতে পারি না। আমাকে মনোনীত করায় জেলা প্রশাসনের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, কিন্তু নৈতিক অবস্থান থেকে আমি এই পদে থাকতে অপারগ।"


​আবেদনপত্রের অনুলিপি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিভাগ-১) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিকটও পাঠানো হয়েছে।


​উল্লেখ্য যে, সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার কাজে স্বচ্ছতা আনয়ন এবং কৃষকদের অধিকার রক্ষায় ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। ওবায়দুল হক মিলনের এই পদত্যাগের বিষয়টি জেলার সচেতন মহলে ইতিবাচক এবং একটি দৃষ্টান্তমূলক নৈতিক অবস্থান হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

প্রিতম দাস

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad