যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের নীতি ও ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল রাজপথ
Led Bottom Ad

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের নীতি ও ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল রাজপথ

প্রথম ডেস্ক

২৯/০৩/২০২৬ ১৯:৫৭:৪৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক ও শিকাগোসহ বড় বড় শহরগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বিভিন্ন নীতি এবং বিশেষ করে ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিশাল গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) ‘নো কিংস’ (No Kings) নামে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। আয়োজকদের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বড় এক দিনের অহিংস প্রতিবাদ। এর আগে গত বছর জুন ও অক্টোবর মাসেও একই নামে বড় ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ‘স্বৈরাচারী’ আচরণের অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের মূল প্রতিবাদের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান, ফেডারেল অভিবাসন সংস্থা আইসিই (ICE) কর্তৃক ধরপাকড় ও সহিংসতা এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়। ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে সমবেত জনতা ‘ক্ষমতার মালিক জনগণ, কোনো রাজা নয়’ বলে স্লোগান দেয়। আয়োজক সংস্থার মতে, ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজারেরও বেশি স্থানে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মিনেসোটার ফ্ল্যাগশিপ সমাবেশে অংশ নিয়েছেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন এবং বার্নি স্যান্ডার্সের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা।

এদিকে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভকে কঠোর ভাষায় তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এক বিবৃতিতে এই সমাবেশগুলোকে ‘ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশন’ (Trump Derangement Therapy Sessions) বলে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিক্ষোভগুলো কেবল বামপন্থী অর্থায়নপুষ্ট নেটওয়ার্কের সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের এতে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি আরও যোগ করেন, “একমাত্র সাংবাদিকরাই এই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী, যাদেরকে এই সংবাদ প্রচারের জন্য টাকা দেওয়া হয়।” তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই মন্তব্যের বিপরীতে বিক্ষোভকারীরা বলছেন, গণতন্ত্র রক্ষা এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে তাদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad