সিলেটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী
‘তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, দেশ গড়বে তোমরাই’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের কাণ্ডারি হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, “তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি তৈরি হবে। আজ গ্যালারিতে বসে থাকা তোমরাই এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।” শনিবার (২ মে) বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “যে খেলোয়াড় হতে চায় সে খেলোয়াড় হবে, যে মিউজিশিয়ান হতে চায় সে-ও তা-ই হবে—সরকার সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। তোমরা একেকজন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিজেদের তুলে ধরবে এবং দেশকে নেতৃত্ব দেবে।” অনুষ্ঠানে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনে জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক ও বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় এই প্রতিভার অন্বেষণ কর্মসূচির পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হয়েছিল। আশির দশকের জনপ্রিয় ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলেই এখন ক্রীড়াক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিতে এই কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে।
বক্তব্য শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি ও মার্শাল আর্টসহ ৮টি ইভেন্টের চমৎকার অ্যাক্রোব্যাট প্রদর্শনী উপভোগ করেন। এরপর তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর্মসূচির লোগো ও ট্রফি উন্মোচন করেন। বক্তব্যের শেষে তিনি স্টেডিয়ামের মাঠে গিয়ে ক্ষুদে অ্যাথলেটদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের বাস্তবায়নে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং হুইপ জিকে গউছসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সিলেটসহ দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে এই কর্মসূচিটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হয়, যা দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: