সংসদে বিমানমন্ত্রী
ফের জেগে ওঠার অপেক্ষায় শমশেরনগর বিমানবন্দর
দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে আবারও আলোচনায় মৌলভীবাজারের শমশেরনগর বিমানবন্দর—যেখানে একসময় আকাশছোঁয়া স্বপ্ন ছিল উড্ডয়ন-অবতরণের শব্দে মুখর হওয়ার, সময়ের ব্যবধানে তা যেন থমকে গিয়েছিল স্থবিরতার ভারে। এখন আবার সেই পুরোনো রানওয়ের দিকে ফিরছে দৃষ্টি, ফিরছে সম্ভাবনার আলো।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ বা সীমিত ব্যবহারে থাকা দেশের একাধিক এসটিওএল বিমানবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাই করছে সরকার। সেই তালিকায় রয়েছে শমশেরনগরসহ ছয়টি বিমানবন্দর।
শমসেরনগর একসময় স্থানীয় যোগাযোগ ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম ছিল। কিন্তু সময়ের ধুলো জমে সেই গতি থেমে যায়, রানওয়ে হারায় নিয়মিত উড়ানের শব্দ। এখন আবার সেই নীরবতার ভেতরেই শোনা যাচ্ছে নতুন করে জেগে ওঠার ইঙ্গিত।
সরকারের পরিকল্পনায় বিমানবন্দরটি আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যাত্রীসেবা সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি রয়েছে। বাস্তবায়ন হলে এটি শুধু একটি বিমানবন্দরই নয়, বরং হয়ে উঠতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ স্বপ্নের নতুন দরজা।
তবে কাগজে-কলমের পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে সময় লাগে, লাগে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও বাস্তবায়নের দৃঢ়তা। তাই আপাতত অপেক্ষা—শমশেরনগরের আকাশে আবার কবে সত্যিকারের উড়ানের শব্দ ফিরে আসে, সেই দিনের।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: