বড়লেখায় সহকর্মীকে নদীর পাড়ে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চাকরি হারানোর জেরে এক সহকর্মীকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বদরুল হকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম বাজার এলাকায় আলাল চেয়ারম্যানের জালালাবাদ রাইস মিলের প্রায় ১০০ মিটার উত্তরে নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী লিয়াকত আলী (৪০) হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার হুড়ারকুল গ্রামের ছুরত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি বড়লেখার গাংকুল এলাকায় সালমা অটোরাইস মিলে অবস্থান করে কাজ করেন।
বড়লেখা থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে লিয়াকত আলী উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত বদরুল হক (৩০) তাঁর পূর্বপরিচিত এবং তাঁরা একই রাইস মিলে একসঙ্গে কাজ করতেন। প্রায় ২০ দিন আগে লিয়াকত আলী চুনারুঘাটে অবস্থানকালে বদরুলকে রাইস মিল থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরে বদরুল ফোন করে জানান, তাঁকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মালিকের কাছে তাঁর টাকা পাওনা রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বদরুল ফোন করে লিয়াকতের অবস্থান জানতে চান। তখন লিয়াকত জানান, তিনি বকেয়া টাকা সংগ্রহ করে গাংকুলের দিকে যাচ্ছেন এবং বড়লেখা হাসপাতালের সামনে রয়েছেন। পরে বদরুল মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে চা খাওয়ানোর কথা বলে সঙ্গে নেন। এরপর বড়লেখা বাজারে চা খাওয়ানোর পর চান্দগ্রামের জালালাবাদ রাইস মিলে যাওয়ার অনুরোধ করেন।
লিয়াকতের দাবি, বদরুলের সঙ্গে পূর্বপরিচিত হওয়ায় তিনি মোটরসাইকেলে ওঠেন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তাঁরা চান্দগ্রামের জালালাবাদ রাইস মিল এলাকায় পৌঁছান। সেখানে মোটরসাইকেল রেখে বদরুল তাঁকে মিলের প্রায় ১০০ মিটার উত্তরে নদীর পাড়ে নিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে যাওয়ার পর হঠাৎ বদরুল উত্তেজিত হয়ে লিয়াকতকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি অভিযোগ করেন, লিয়াকত রাইস মিলের মালিককে বলে তাঁর চাকরি খেয়ে নিয়েছেন। এরপর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় লিয়াকত আলী বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।
হিফজুর/ আর আর
মন্তব্য করুন: