রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার আহ্বান

প্রথম ডেস্ক

০৬/১০/২০২৬ ১৫:২৯:৪০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। একই সঙ্গে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং অবৈধ অভিবাসনকে উসকে দিতে পারে।

আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ারপারসন আফসানা বেগমের নেতৃত্বে সফররত একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- হাউস অব কমন্সের সদস্য শওকত আদম এমপি এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এখন আর কেবল মানবিক উদ্বেগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অনিয়মিত অভিবাসনের ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

আগামীকাল বুধবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রতিনিধিদলের। বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীর দুর্দশা লাঘবে তারা তাদের সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রোহিঙ্গাদের নিজ জন্মভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে সোচ্চার থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে এপিপিজি’র ধারাবাহিক আগ্রহের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সুসংহতকরণ ও সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে এপিপিজির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের অগ্রগতি ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ততা বাড়াতে গ্রুপটির সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে সংসদীয় সহযোগিতা ও বিনিময়, গণতান্ত্রিক সুসংহতকরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং মানবাধিকার প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে পারস্পরিক মতামত বিনিময় করেন এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষী ফোরামের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পূজা বাড়াইক/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad