সিসি ক্যামেরা ও পুলিশ নজরদারির মধ্যেও ধোপাজান চলতি নদীতে বালুর কারবার
সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদীর মোহনায় বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। দিন-রাত চলছে পুলিশের নজরদারি। এরপরও স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত গভীর হলেই নদীতে সক্রিয় হয়ে ওঠে বালুর কারবার। বালুভর্তি একের পর এক নৌযান নদীপথে বেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে বলে দাবি তাঁদের। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, সিসি ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে চলছে এই কারবার?
স্থানীয়দের আরও প্রশ্ন, নদীতে যদি বালু লুট বন্ধই হয়ে থাকে, তাহলে রাতের আঁধারে কোথা থেকে আসছে এসব বালুভর্তি নৌযান? তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা ছাড়া এতটা প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ড চালানো সম্ভব নয়। তবে পুলিশ বলছে, এসব অভিযোগ গুজব; সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পর বালু লুট বন্ধ রয়েছে।
ক্যামেরা আছে। পুলিশ আছে। রাত-দিন নজরদারিও চলছে। তবু রাত নামলেই ধোপাজান চলতি নদীতে বালুর কারবার—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
রাতের শেষ ভাগে নদীপথে বেরিয়ে যাচ্ছে বালুভর্তি নৌযান। কোথা থেকে আসছে সেই বালু, কারা তুলছে, কারা সরিয়ে নিচ্ছে—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মিলছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু চোরাচালানকারীদের দায়ী করে বিষয়টি শেষ করার সুযোগ নেই। প্রশাসনের নজরদারি যদি সত্যিই কঠোর হয়, তাহলে সিসি ক্যামেরার আওতায় থেকেও কীভাবে বালুভর্তি নৌযান চলাচল করছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
তবে পুলিশের দাবি, ধোপাজান চলতি নদীতে বালু লুট হচ্ছে না। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।
লতিফুর রহমান রাজু/ নীরব চাকলাদার/প্রসি-২০২৬
মন্তব্য করুন: