সিলেট রেল ষ্টেশনে মূহুর্তেই টিকিট গায়েব!

এবার তদন্তে পিবিআই

সিলেট রেল ষ্টেশনে মূহুর্তেই টিকিট গায়েব!

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

০৭/১০/২০২৬ ২১:৫০:২৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী রেলের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছাড়ার পরপরই গায়েব হয়ে যায়। এবার এই বিষয়টি নিয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান।

সিলেটে ট্রেনের টিকিট সংকটের পেছনে কালোবাজারি ও মজুদদারির সুনির্দিষ্ট আলামত পেয়ে মামলা দায়েরের পর সেটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-কে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। মামলাটি তদন্ত করছেন উপপরিদর্শক আবদুল আহাদ। তিনি জানিয়েছেন, আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকায় উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। এসব রুটের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যায়। যেটি নজরে আসে বিজ্ঞ আদালতের।

পরবর্তীতে আদালত পর্যবেক্ষণ করে অনলাইনে কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে। এরই প্রেক্ষিতে গত মাসের (সেপ্টেম্বর) শেষের দিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি এজাহারে কালোবাজারি ও মজুদদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

বিষয়টি নিয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানান, এখনকার সিস্টেমে স্টেশনের কিছু করার থাকে না। কারণ রেলের টিকিট এখন অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। লাইনে দাঁড়ালেই দেখবেন শত শত লোক সরাসরি কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয় করছেন। টিকিট নিজেদের হাতে রেখে বিক্রি কিংবা কালোবাজারী সিন্ডিকেট সিলেট রেল ষ্টেশনে থাকার কোন সুযোগ নেই।

এদিকে পিবিআই সিলেটের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আহাদ মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad