ইকরার জন্মদিনে ক্ষমা চেয়ে যা লিখলেন আলভী

ইকরার জন্মদিনে ক্ষমা চেয়ে যা লিখলেন আলভী

প্রথম ডেস্ক

১৫/১০/২০২৬ ১৩:৪২:৫০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

স্ত্রী নেই, তবু থেমে নেই জীবন। হাসছেন, গান শুনছেন, শুটিং করছেন। আর এসব স্বাভাবিক কাজের জন্যই প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে অভিনেতা জাহের আলভীকে।

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে সেই আক্ষেপই তুলে ধরেছেন তিনি। একই সঙ্গে বন্ধুর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মতো করেই স্ত্রীর কাছেও চেয়েছেন মাফ।

ফেসবুকে ইকরার সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে আলভী সেখানে লিখেছেন, একজন মৃত মানুষের মূল্য অনেক জীবিত মানুষের চেয়েও বেশি। ইকরা বেঁচে থাকলে হয়তো এই সময়টায় তিনজন মিলে কেক কেটে জন্মদিন উদ্‌যাপন করতেন।

কিন্তু সেই মানুষটিই এখন - শুধুই স্মৃতি। তাই জন্মদিনের এই দিনে কিছু বিষয়ে ইকরার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এই অভিনেতা।

ইকরাকে হারানোর পর নিজের স্বাভাবিক জীবনযাপন নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়ার কথাও লিখেছেন আলভী। তার প্রশ্ন, স্ত্রী চলে যাওয়ার পর কেন থেমে যাচ্ছে না তার জীবন?

কেন এখনো গান শুনছেন, হাসছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দিচ্ছেন, শুটিং করে জীবিকা নির্বাহ করছেন? কেন তিনি ভেঙে পড়ে নিজের ও সন্তানের জীবনও থামিয়ে দিচ্ছেন না?

আলভীর লেখায় উঠে এসেছে, স্ত্রীকে হারানোর শোকের পাশাপাশি সন্তান রিযিককে ঘিরে তার দায়িত্বের কথাও। বর্তমানে নিজের পরিবারকে সামলে ছেলেকে সুন্দর জীবন দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আর এই চেষ্টার জন্যই যদি ইকরার কোনো অভিমান থেকে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন অভিনেতা।

ইকরার প্রতি ভালোবাসা ও অভিমানের কথাও অকপটে লিখেছেন তিনি। জানিয়েছেন, নামাজের বিছানায় মোনাজাতের সময় ইকরা থাকেন তার ভাবনায়। স্ত্রীর প্রতি অভিমান থাকলেও কোনো ক্লেশ নেই তার।

বরং আবার দেখা হওয়ার প্রত্যাশায় বাকি আড্ডা আর অভিমানগুলো তুলে রেখেছেন সেই দিনের জন্য। একই সঙ্গে প্রয়াত স্ত্রীর কাছে তাদের সন্তান রিযিককে দেখে রাখার আকুতিও জানিয়েছেন তিনি।

তবে আলভীর এই ব্যক্তিগত শোকের পেছনে রয়েছে মামলার প্রসঙ্গও। ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আলভীকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছিল।

কারাভোগের পর বর্তমানে জামিনে রয়েছেন তিনি। ইকরার জন্মদিনে আলভীর এই পোস্টে তাই একসঙ্গে উঠে এসেছে হারানোর বেদনা, অভিমান, অনুশোচনা এবং সন্তানকে নিয়ে সামনে এগিয়ে চলার বাস্তবতা।

রত্না বাউরী/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad