দোয়ারাবাজারে এলজিইডির ৫ কোটি টাকার আম্পান প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
Led Bottom Ad

ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

দোয়ারাবাজারে এলজিইডির ৫ কোটি টাকার আম্পান প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ মাসুদ রানা সোহাগ, নিজস্ব প্রতিনিধি, দোয়ারাবাজার

২৮/১১/২০২৫ ১৪:২৭:৫১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের চকবাজার–হরিণাপাঠি সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এলজিইডির অধীনে ‘আম্পান পুনর্বাসন প্রকল্প’ থেকে প্রায় ৫ কোটি ৩২ লাখ ৪৫ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয়ে সড়ক, প্যালাসাইডিং ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, দুর্বল ভিত্তি এবং কারিগরি ত্রুটির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী ১,২০০ মিটার সড়ক, ১,৪০০ মিটার প্যালাসাইডিং ও ৪০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কথা থাকলেও বাস্তবে নানামুখী অনিয়ম চোখে পড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। গার্ডওয়াল ও সুরক্ষা ব্লকে ব্যবহৃত কংক্রিট ও রডের মান নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কাজের বিভিন্ন অংশে অবহেলা ও পর্যাপ্ত তদারকির ঘাটতি থাকায় ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ—ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এম. এ. ইঞ্জিনিয়ারিং ও নাফিজ আহমেদ (জেভি)’ এবং উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল হামিদের মধ্যে ‘যোগসাজশ’ থাকতে পারে। তাদের মতে, মান নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হওয়ায় প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ জানান। বক্তারা বলেন—“এ প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি শুধু ত্রুটি নয়; এর পেছনে স্বার্থের প্রভাব থাকতে পারে।”


প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন ডা. আরবের রহমান খোকন, শাহ আলম, মনির হোসেন, ডা. সাইফুল ইসলাম, শরাফত আলী, মো. জাকির হোসেন, সাজিদুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ, লিটন আহমেদ, নুর হোসেন, মাস্টার সিকান্দার আহমেদ, ইমাম হোসেনসহ অনেকে। তারা প্রকল্পের নথি জনসমক্ষে প্রকাশ, স্বচ্ছ তদন্ত, এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন—“স্থানীয়দের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিম্নমানের কাজের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে ত্রুটি পাওয়া যাবে, ঠিকাদারকে তা সংশোধন করতে বাধ্য করা হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন—“নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad