সুনামগঞ্জে তীব্র শীতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বয়স্ক ও শিশুরা
সুনামগঞ্জে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। জেলার ১২ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ঠান্ডাজনিত জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের হার উদ্বেগজনক। গুরুতর অবস্থায় অনেক রোগীকে অক্সিজেন সাপোর্টও দিতে হচ্ছে।
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৫০ জন ডায়রিয়া এবং ৩০ জন নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। জগন্নাথপুরে গত এক সপ্তাহে ৪৫০ জন শিশু ও ১১০০ বয়স্ক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালে কখনও কখনও একশ’ জন পর্যন্ত রোগী ভর্তি থাকা দেখা গেছে।
ডা. নুসরাত আরেফিন বলেন, “শীত বেড়ে যাওয়ায় রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নেবুলাইজার ব্যবহারে দীর্ঘ সিরিয়াল তৈরি হচ্ছে।” শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সৈতক দাস বলেন, “শিশুদের নিউমোনিয়া আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।”
সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন অভিভাবকদের সতর্ক করেছেন, “বয়স্ক ও শিশুদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। নিয়মিত গরম কাপড় পড়ানো এবং কুয়াশা এড়িয়ে চলা জরুরি। শ্বাসকষ্ট বা ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।”
সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, গ্রামীণ এলাকার টিনের ঘরে শিশুদের শীতের ঝুঁকি বেশি। তিনি সতর্ক করেছেন ঘর উষ্ণ রাখা এবং শিশুদের মাথায় টুপি পড়ানো প্রয়োজন।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: