সুনামগঞ্জ–বিশ্বম্ভরপুর–তাহিরপুর সড়কে ২৫ বিপজ্জনক বাঁক, বাড়ছে দুর্ঘটনা
সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে বিশ্বম্ভরপুর হয়ে তাহিরপুর উপজেলা পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার সড়কে রয়েছে অন্তত ২৫টির বেশি বিপজ্জনক বাঁক। এসব বাঁকের কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়ক মেরামত করা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করা বা দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চালবন–চিনাকান্দি–মাছিমপুর, পলাশবাজার–লাউড়েরগড়, কারেন্টের বাজার–বিন্নাকুলীসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোতে একের পর এক তীক্ষ্ণ বাঁক রয়েছে। এসব স্থানে প্রায়ই যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়ছে, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী ও চালকরা।
স্থানীয়দের দাবি, এই সড়কে যানবাহনের চাপ ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। তার ওপর নব্বই ডিগ্রির বাঁক, ঝুঁকিপূর্ণ স্টিলের সেতু ও যত্রতত্র স্পিড ব্রেকার পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাঘমারা এলাকায় মাত্র ১০০ গজের মধ্যে চারটি বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। শক্তিয়ারখলা বাজার এলাকায় রয়েছে আরও চারটি বাঁক। কারেন্টের বাজার, পলাশবাজারগামী সড়ক ও চালবন পয়েন্টের বাঁকগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান স্থানীয়রা।
শক্তিয়ারখলা এলাকার বাসিন্দা জহির মিয়া বলেন, সড়ক প্রশস্ত ও বাঁক সোজা না করলে দুর্ঘটনা কমবে না। সিএনজি চালক জামিল মিয়া জানান, বীরনগর এলাকা থেকে আব্দুল জহুর সেতু পর্যন্ত পুরো সড়কেই আতঙ্ক নিয়ে চলতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: