শাল্লায় প্রকল্প অনুমোদনে ঘুষের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিডিও
Led Bottom Ad

শাল্লায় প্রকল্প অনুমোদনে ঘুষের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিডিও

নিজস্ব প্রতিনিধি, শাল্লা

০৮/০১/২০২৬ ২০:৫১:৫৫

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনে টাকার বিনিময়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কাবিটা স্কিম প্রণয়ন কমিটির এক সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন শাল্লা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম।


স্থানীয় সাংবাদিকদের হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার রাহুতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. শান্তু মিয়া কয়েকজনের সঙ্গে কথোপকথনে দাবি করেন, ৯৮ নম্বর প্রকল্পের পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) অনুমোদনের আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা দেন। অনুমোদন পাওয়ার পর আরও ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করেন তিনি। শান্তু মিয়ার দাবি, শুধু এই প্রকল্প নয়, আরও কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রেও একইভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।


এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “টাকা লেনদেনের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”


তবে উপজেলা কাবিটা স্কিম প্রণয়ন কমিটির আরেক সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মী পাবেল আহমেদ বলেন, “৯৮ নম্বর প্রকল্পটি টাকার বিনিময়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—এমন একটি ভিডিও আমি দেখেছি। এ ছাড়া ৪৫ নম্বর পিআইসি থেকেও দেড় লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।”


এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, “পিআইসি দেওয়ার নামে কেউ টাকা নিয়ে থাকলে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


ইউএনও আরও জানান, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর সভাপতি ও সদস্যসচিবদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা পড়েছে। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


এদিকে, নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উপজেলার অধিকাংশ প্রকল্পে এখনো কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের। তাঁদের দাবি, কয়েকটি প্রকল্পে নামমাত্র উদ্বোধন হলেও বাস্তবে কোনো কাজের অগ্রগতি নেই। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও কয়েকটি প্রকল্পের অনুমোদন না হওয়ায় হাওর এলাকার ফসল রক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আমির হোসেন

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad