সুনামগঞ্জে শিক্ষিকাকে মারধর ও অবরুদ্ধ করার মামলায় শিক্ষক জেলহাজতে
Led Bottom Ad

সুনামগঞ্জে শিক্ষিকাকে মারধর ও অবরুদ্ধ করার মামলায় শিক্ষক জেলহাজতে

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২০/০৪/২০২৬ ২৩:৫১:১২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের কাপনা জালালিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা আব্দুল লতিফকে (৫০) জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) আমলগ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিশ্বম্ভরপুর জোনের বিচারক সিআর ৪৪৫/২০২৫ নং মামলায় হাজিরা দিতে গেলে তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন। আব্দুল লতিফ পশ্চিম মেরুয়াখলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

একই মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষিকা জয়নব বিবির দায়েরকৃত মামলায় তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, মাদ্রাসায় সুপারের পদ শূন্য থাকায় কমিটি জয়নব বিবিকে ভারপ্রাপ্ত সুপার নিয়োগ দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আব্দুল লতিফ অনৈতিকভাবে পদটি দখল করেন এবং শিক্ষিকার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেন। এর প্রেক্ষিতে জয়নব বিবি হাইকোর্টে রিট করলে আব্দুল লতিফ ও তার সহযোগীরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বার্ষিক পরীক্ষার ডিউটির সম্মানি চাওয়াকে কেন্দ্র করে মাওলানা আব্দুল লতিফ ও তার সঙ্গীরা শিশুসন্তানসহ জয়নব বিবিকে অফিসরুমে তালাবদ্ধ করে বেদম মারপিট করেন। এ সময় বাধা দিতে এলে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ পাঁচজনকে আহত করার পাশাপাশি একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও অন্যটি ভাঙচুর করা হয়।

এই মামলায় আব্দুল লতিফ ছাড়াও সেলিম আহমদ ওরফে ইয়াবা সেলিম, জালাল উদ্দিন ভূট্টো, বাপ্পারাজ ও রহমত আলীসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীর পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুল হক, এডভোকেট তৈয়বুর রহমান বাবুল এবং এডভোকেট আব্দুল গাফফার। অভিযুক্ত সহকারী সুপারের এমন আচরণে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad
Led Bottom Ad