যে ৫ কৌশলে ফ্রান্সকে হারিয়েছে স্পেন
স্পেনের ডান প্রান্তের আক্রমণভাগে লামিন ইয়ামাল ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ের দুর্বলতাকে দারুণভাবে কাজে লাগান। গতি এবং পজিশনিংয়ের ভুলে দিনিয়ে বারবার পরাস্ত হন এবং শেষ পর্যন্ত ইয়ামালকে ফাউল করে পেনাল্টি উপহার দেন।
রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের সমন্বয়ে গড়া স্পেনের মাঝমাঠ ফ্রান্সের সব পাস ও আক্রমণ তৈরির চেষ্টা শুরুতেই নস্যাৎ করে দেয়। এর ফলে কিলিয়ান এমবাপে বা উসমান দেম্বেলের মতো বিপজ্জনক ফরোয়ার্ডরা বল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন এবং ফ্রান্স তাদের স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ছন্দ হারিয়ে ফেলে।
স্পেন ধৈর্য ধরে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ফরাসি খেলোয়াড়দের মাঠজুড়ে দৌড়াতে বাধ্য করে। এতে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং ম্যাচের শেষভাগে তাদের মধ্যে এক ধরনের তাড়াহুড়ো ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
স্পেনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল দলগত ওয়ান-টু কম্বিনেশনের একটি চমৎকার উদাহরণ। মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বল পাস করে, পেদ্রো পোরো ও দানি অলমোর দ্রুত আদান-প্রদানের মাধ্যমে ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে এই নিখুঁত গোলটি করা হয়।
২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর স্পেন আক্রমণের গতি কমিয়ে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার দিকে মনোযোগ দেয়। পেদ্রি ও মেরিনোর মতো সতেজ খেলোয়াড়দের মাঠে নামিয়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং কৌশলগতভাবে সময়ক্ষেপণ করার মাধ্যমে ফ্রান্সকে ম্যাচে ফেরার আর কোনো সুযোগই দেয়নি তারা।
রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: